আমাদের দেশের লোকাল ব্যাংক এর মত অনলাইনেও অনেক ব্যাংক আছে । যেগুলো তে
অনলাইনে উপার্জিত ডলার গুলো পে আউট করা হয় । তার পর সেগুলো কে আমাদের দেশের
লোকাল ব্যাংক এ উত্তোলন করা হই । অনলাইনে যে সমস্ত মাইক্রো জব সাইট বা
পিটিসি সাইট আছে সেগুলোর মধ্যে প্রায় সবগুলোয় পেপাল ও পেইজা সাপোর্ট করে । এখন অনলাইনে কাজ করতে হলে প্রথমে দরকার অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট । আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে পেইজা ও পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় । পেইজা অ্যাকাউন্ট বাংলাদেশ সাপোর্ট করে কিন্তু পেপাল বাংলাদেশ সাপোর্ট করেনা । কিন্তু আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে বাংলাদেশ থেকে ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট খুলবেন ।
বাংলাদেশ থেকে ফ্রী Verifyed Paypal অ্যাকাউন্ট খোলা, টাকা উত্তোলন + একটি ফ্রী Mastercard এবং ফ্রী US Virtual Bank অ্যাকাউন্ট
এবং
জেনে নিন কিভাবে আপনার পেইজা একাউন্টে ফান্ড অ্যাড কিংবা ডিপোজিত করবেন? সাথে একাধিক পদ্ধতির কৌশল!!
১। প্রথমে আমরা পেইজা অ্যাকাউন্ট খুলবো ।
কিভাবে আপনার পেইজা একাউন্টকে ভেরিফাই করবেন এবং পেইজা হইতে যাবতীয় অর্থ ব্যাংকের একাউন্টে উইথড্র কিংবা ডিপোজিত করবেন।
প্রথমে এই লিঙ্ক এ যান
এবং আপনার আইডি কার্ড এর নাম , জন্ম তারিখ ব্যাবহার করুন ।
প্রথমে এই লিঙ্ক এ যান
এবং আপনার আইডি কার্ড এর নাম , জন্ম তারিখ ব্যাবহার করুন ।
বর্তমানে Payza
কতটা জরুরী তা ব্যবহারকরী মাত্রই অবগত। কেননা, বাংলাদেশে যেহেতু পেপালের
কার্যক্রম নাই সেখানে একটু হলেও গুরু দ্বায়িত্ব পালন করছে পেইজা। পেইজা
সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নাই। এই বিষয়ে অসংখ্যক টিউন করা হয়েছে।
বিশ্বের প্রায় ৯০ টির বেশী দেশে পেইজা কার্যক্রম আছে, সেই হিসাবে বাংলাদেশে
এর আঞ্চলিক অফিস আছে। পেইজা একাউন্ট ক্রিয়েট করা খুব কঠিন কাজ নই। প্রায় ১
মিনিট সময় ব্যয় করেই এই একাউন্ট ওপেন করা যায়।
যাইহোক
শুধু একাউন্ট থাকলে হবে না। একউন্টটি অবশ্যই ভেরিফাই হতে হবে। কেননা,
ভেরিফাই করা না হলে আপনি পেইজা হইতে আপনার অর্থ ব্যাংকে ডিপোজিত কিংবা
উত্তোলন করতে পারবেন না। একাউন্ট ভেরিফাইও খুব একটা কঠিন কাজ নই। একাউন্ট
ভেরিফাই করতে আপনাকে ২ টি জিনিসের প্রয়োজন।
১। ভোটার আইডি ২। ব্যাংকের ৬ মাসের স্টেটমেন্ট।
কিভাবে একাউন্ট ভেরিফাই করবেন?
১। প্রথমে আপনার পেইজা একাউন্টে লগইন করুন এখানে
> বাম পাশের প্যানেল হতে verification অংশে যান > সেখানে আপনার
জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি এবং অপর অংশে ব্যাংকের স্টেটমেন্ট অাপলোড করে
পাঠিয়ে দিলেই হবে।
২। ভেরিফাই হইতে প্রায় ৪-৫ দিনের মত সময় নিবে। এবং এই বিষয়ে আপনার মেইলে বার্তা পাবেন। এবং ভেরিফাই হলে নিম্নোক্ত চিত্র দেখাবে-
Congratulations, your Payza account has been successfully verified.
(বি:দ্র-
ভোটার আইডি এবং ব্যাংক স্টেটমেন্ট উভয়ই জিপিজি ফরম্যাটে স্ক্যান করে আপলোড
করবেন। এবং আপনার ব্যাংকে গিয়ে একটি স্টেটমেন্ট কপি করে নিন। তাছাড়া ভোটার
আইডি ও ঠিকানার সাথে মিল রেখে আপনার পেইজা একাউন্টের নাম, এড্রেস একই হতে
হবে। উল্লেখ্য ব্যাংকে আপনার একাউন্টের নাম ভোটার আইডি কার্ডের নামের সাথে
মিলতে হবে।
কিভাবে ব্যাংক একাউন্ট ভেরিফাই ও সংযুক্ত করবেন?
শুধু
ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করলেই হবে না সেটি ভেরিফাই হতে হবে। পেইজা একউন্টে
ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত না থাকলে আপনার ব্যাংক একউন্ট যুক্ত করে নিন এখনি।
এই জন্য Bank Accounts > Add Bank Account অংশে ক্লিক করে আপনার
ব্যাংকের যাবতীয় তথ্যাদি দ্বারা পূরন করে নিন।
ব্যাংক
একাউন্ট যুক্ত করা হলে আপনার পেইজা একাউন্ট হতে ক্ষুদ্র পরিমান অর্থ
(যেমন: ০.১০ কিংবা ০.২৫ ডলার) আপনার ব্যাংক একাউন্টে প্রেরন করা হবে। এই
ক্ষেত্রে অাপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট হতে জেনে নিন কত পরিমান অর্থ পেইজা হতে
জমা হয়েছে। সুতরাং সেই পরিমানের অর্থ/সংখ্যাটি পরবর্তীতে আপনার পেইজা
একউন্টে উল্লেখ করে দিলেই ব্যাংক একাউন্ট ভেরিফাইড হিসাবে সংযুক্ত হয়ে
যাবে।
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এড করার পর আপনাকে তারা একটি ফরম দিবে সেই ফরম তি পূরণ করে সেই ফরম টি আপলোড করে দিন তাহলে আপনি ৭ দিন এর মধ্যে ভেরিফাইড করতে পারবেন ।
পেইজা হইতে কিভাবে অর্থ ব্যাংক একাউন্টে উইথড্র করবেন?
Wallet > Withdraw Funds অংশে যান > অাপনি কোন অপশনের মাধ্যমে উইথড্র করবেন যেমন-
Over the Bank Counter-
এখানে সরাসরি ব্যাংক কাউন্টার হইতে টাকা উঠাতে শুধুমাত্র ৫০/- খরচ হবে।
তবে এটা সব জেলাতে কাজ হবে না। ঢাকাতে কমার্স ব্যাংক এই সুবিধা প্রদান করে
থাকে। তাই এই ক্ষেত্রে আপনাকে Bank Transfer
অপশনটি বাছাই করতে হবে। সেখানে এমাউন্টের পরিমান/বিবরন লিখে কনফার্ম করলেই
৪/৫ দিনের মধ্যে আপনার ব্যাংক একাউন্টে অর্থ জমা হবে। এই ক্ষেত্রে ২৪০/-
সার্ভিস চার্জ কর্তন যাবে। এই ক্ষেত্রে বড় এমাউন্ট লেনদেনের দিক হতে ভাল
হয়।
এই
যেমন- ৪-৫ দিন পূর্বে আমার একাউন্টে বিভিন্ন সাইট হতে আয়কৃত অর্থ
বাংলাদেশী টাকাতে প্রায় ২,০৪৫/- জমা হয় সেখান হতে আমার ইসলামী ব্যাংক
একাউন্টে ট্রান্সফার করলে ২৪০/- টাকা বাদ দিয়ে ১৮০৫/- টাকা জমা হয়েছে।
পেইজা একাউন্টে আমার উইথড্র ও যাবতীয় লেনদেনের প্রমানচিত্র
১।
২।
৩।
সারকথা
অাশা করি এই টিউটোরিয়ালটি অনুসরন করে আপনি নিজেই উপরোক্ত কাজগুলো করতে পারবেন। তারপরেও সমস্যা থাকলে টিউমেন্ট করতে পারেন।
জেনে নিন কিভাবে আপনার পেইজা একাউন্টে ফান্ড অ্যাড কিংবা ডিপোজিত করবেন? সাথে একাধিক পদ্ধতির কৌশল!!
তাহলে
এবার কাজের কথাতে আসি! কিভাবে অ্যাড ফান্ড যোগ করবেন পেইজাতে? হ্যা বিশেষ
প্রয়োজনে আমাদেরকে পেইজা একাউন্টে ফান্ড অ্যাড কিংবা ডিপোজিত করার প্রয়োজন
হতে পারে। বিশেষত যারা অনেকেই অনলাইনের সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং গেটওয়ে
পেমেন্ট হিসাবে পেইজা সাপোর্ট করে সেই ক্ষেত্রে পেইজা একাউন্ট আপনার সহায়ক
এবং ফান্ড যোগ করার প্রয়োজন হতে পারে।
কিভাবে পোইজাতে ফান্ড অ্যাড কিংবা অর্থ ডিপোজিত করবেন?
১।
প্রথমে আপনার পেইজা একাউন্ট লগইন করুন > Add Funds অংশে যান। উল্লেখ্য
এখানে প্রায় ৪ টি পদ্ধতিতে ফান্ড অ্যাড করা যাবে এবং ক্ষেত্র বিশেষ ফি
প্রদান করতে হবে। তবে সহজ হিসাবে মনে করি, পেইজা একাউন্টে আপনার ব্যাংক
একউন্ট অ্যাড ও ভেরিফাই করা আছে সেই হিসাবে আপনার ব্যাংক একাউন্ট হইতে
সরাসরি পেইজাতে অর্থ ডিপোজিত করতে পারবেন।
২।
সুতরাং Bank Account নির্বাচন করুন > নিম্নরুপ একটি চিত্র আসবে সেখানে
আপনাকে টাকার সংখ্যা লিখে নেক্সট বাটনে ক্লিক করলেই ফান্ড অ্যাড হবার
প্রসেস শুরু হবে। এবং ইমেইলে বার্তা পাইবেন।
জ্ঞাতব্য বিষয়ঃ
ক। ব্যাংক একাউন্ট হইতে ফান্ড যোগ করতে সর্বনিম্ন ৫০০/৳ ডিপোজিত করতে হবে তার নিচে নই।
খ। ব্যাংক একাউন্ট হইতে ট্রান্সজেকশন এর সময় ১-২ দিন লাগতে পারে অপরদিকে পেইজাতে ফুল প্রসেস হইতে ৩-১৫ দিন সময় লাগে।
গ।
ক্ষেত্র বিশেষ ব্যাংক চার্জ কাটা হতে পারে বিভিন্ন ব্যাংকের চার্জ ফি
ভিন্ন রকম। যেমন ৩%-৫%। তবে আমার ইসলামি ব্যাংকের একাউন্ট অ্যাড করা আছে,
ডিপোজিত করেছি পরীক্ষামূলক ভাবে ৫০০৳। কিন্তু কোন চার্জ কাটেনি!!
ঘ।
ব্যাংক একাউন্ট হইতে ফান্ড যোগ করতে হলে পূর্ব হতেই আপনার পেইজা একাউন্টে
ব্যাংক একাউন্ট যোগ থাকতে হবে এবং ভেরিফাই একাউন্ট হতে হবে।
ঙ।
ব্যাংক একাউন্ট হইতে ফান্ড যোগ করলে তা বাংলাদেশী কারেন্সীতে যোগ হবে। তবে
পরবর্তীতে তা অন্য মুদ্রাতে কনভার্ট করা যাবে (তবে এই সুবিধাটি পেইজা
অচিরেই যোগ করবে)
কাজের প্রমাণাদি হিসাবে আমার কিছু চিত্র
ক। ইমেইলে বার্তা-
খ। লেনদেনের সামারি-
ফান্ড অ্যাড করার আরো কিছু মাধ্যম
উপরের
পদ্ধতি প্রয়োগ করলাম যাদের নিজস্ব ব্যাংক একাউন্ট আছে। তথাপি অন্য কোথাও
ধরনা দেবার প্রয়োজন না পড়ে। এবং ব্যাংক একাউন্ট হইতে লেনদেন করলে
ট্রানজেকশন কপি দেখে বুঝা যাবে কোথা হইতে, কোন তারিখে, কোন টাকার লেনদেন
করেছেন।
ফান্ড সংযুক্ত করবার আরেকটি পদ্ধতি হল Over the Bank
Counter। এটা শুধুমাত্র পেইজা অনুমোদিত বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের অনুমোদিত
শাখা গুলোতে করতে পারবেন, তাও আবার ঢাকাতে। এখানে প্রায় ২/১ ঘন্টার মধ্যই
আপনার পেইজাতে ফান্ড যোগ হয়ে যাবে এবং যে কোন কারেন্সীতে ফান্ড যোগ করতে
পারবনে। সাথে আপনার ভোটার আইডি, পেইজা এড্রেস, এবং গোপনীয় পিন সম্বর
তাদেরকে প্রদান করতে হবে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন এই কাজটি কতটা ঝামেলার এবং
সবার পক্ষে ঢাকা যাওয়া সম্ভব নই।
আরো
বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে যেমনঃ কোন ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ফান্ড যোগ করা।
অবশ্য সেটি তাৎক্ষনিকভাবে যোগ হবে এবং ৭% ফি প্রদান করতে হবে।
এক্সজেঞ্চার লেনদেন পদ্ধতি
এবং
হ্যা কোন এক্সজেঞ্চার যদি লেনদেন করেন সেখানেও ফান্ড অ্যাড করার সুবিধা
পাবেন। এক্সজেঞ্চার বলতে কোন প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তি বুঝানো হচ্ছে।
যেমনঃ আমার পেইজা একাউন্টে যথেষ্ট পরিমাণ ফান্ড আছে এবং প্রয়োজনের তাগিদে
অন্য কোন পেইজা একাউন্টে কিংবা ঠিকানাতে ট্রান্সফার/লেনদেন করি তাহলে সেটাই
হবে এক্সজেঞ্চার ট্রানজেকশন। এখানে এক একাউন্ট হইতে অন্য একাউন্টে ফান্ড
যোগ হইতে সময় নেয় মাত্র ৩০-৬০ মিনিট। ক্ষেত্র বিশেষ ১ মিনিটের মধ্যও ফান্ড
অ্যড হতে পারে। পেইজা টামর্স অনুযায়ী কোন ফি নাই।
তবে
ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান যদি কমিশন চায় সেটি ভিন্ন কথা!! আরেকটি ব্যাপার যার
সাথে লেনদেন করবেন একটু বুঝে শুনে করাটাই শ্রেয়! কারন, এই ক্ষেত্রে
ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের প্রতারনার বিষয়টাও নতুন কিছু নই।
সারকথা
পেইজাতে
ফান্ড যোগ করার বিষয়ে আর তেমন কোন তথ্যাদি নাই। যা জানার বিষয় ছিল সেটা
জানিয়ে দিলাম। আশা করি টিউটোরিয়ালটি অনুসরন করে অনেকেই পেইজাতে ফান্ড
একাউন্ট যোগ করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে বিশেষ কাজে লাগাতে পারবেন। তারপরেও
কোন তথ্যাদি জানার থাকলে টিউমেন্ট করার আহবাণ রাখছি। পরিশেষে আজ এখানেই শেষ
করছি। সবাই সুস্থ খাকুন, পাশের মানুষটিকে সুস্থ রাখুন!!



অগ্রণী ব্যাংকে অনলাইন একাউন্টে কি টাকা ট্রান্সফার করা যাবে? আর পেইজা একাউন্ট ব্যালান্সে USD and BDT দুইটি কারেন্সিই দেখায় তবে USD তে ব্যালান্স দেখালেও BDT তে দেখায় না কেন? Exchange Currencies তে বাংলাদেশী টাকার কোন অপশন নাই। এটা কিভাবে যোগ করবো?
ReplyDelete